কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫ এ ১২:১৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো গংগাচড়া উপজেলাও আইসিটি ডিভিশনের উদ্যোগে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও শিক্ষার প্রসারে অগ্রসর হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এখানে প্রশাসনিক কার্যক্রম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনগণের দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গংগাচড়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ICT Division-এর উদ্যোগে ‘ICTD Digital Lab’ স্থাপন করা হয়েছে।
এগুলো তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করছে।
প্রযুক্তি শিক্ষা সম্প্রসারণ:
শিক্ষার্থীরা এখন কম্পিউটার ব্যবহার, প্রোগ্রামিং, ডিজাইনিং ও ইন্টারনেটভিত্তিক শেখার সুযোগ পাচ্ছে।
আইটি দক্ষতা বৃদ্ধি:
অনেক শিক্ষার্থী এখন মৌলিক আইটি স্কিল অর্জন করে ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিং বা উচ্চশিক্ষায় আইসিটি বিষয় বেছে নিচ্ছে।
অনলাইন ক্লাস ও মাল্টিমিডিয়া শিক্ষা:
শিক্ষকরা ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে পাঠদান করছেন — এতে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ ও ফলাফল উভয়ই উন্নত হচ্ছে।
ডিজিটাল ইনোভেশন ফেয়ার ও প্রতিযোগিতা:
গংগাচড়ার স্কুলগুলোতে “ডিজিটাল ইনোভেশন ফেয়ার” অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন উপস্থাপন করে থাকে।
ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি:
মেয়েদের আইসিটি বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে, যা প্রযুক্তি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা আনতে সাহায্য করছে।
গংগাচড়া এখন তথ্যপ্রযুক্তিতে ক্রমবর্ধমান উন্নতির পথে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার ঘটেছে।
সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে।
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে “স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ার অনুপ্রেরণা তৈরি হয়েছে।
গংগাচড়া উপজেলায় আইসিটি ডিভিশন ও আইসিটিডি ডিজিটাল ল্যাবের কার্যক্রম তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি সেবা সহজলভ্য হয়েছে, শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিজিটাল সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে গংগাচড়া এখন “স্মার্ট উপজেলা” হিসেবে গড়ে উঠছে, যা স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষেপ।